ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ বক্তৃতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ’ ÕFoundation  Day Lecture ’ আজ ৮ জুন ২০১৭ বৃহস্পতিবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ ফাউন্ডেশন ডে ট্রাস্ট ফান্ড’-এর উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী ফাউন্ডেশন ডে লেকচার প্রদান করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো: আখতারুজ্জামান এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান মো: তৌহিদুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহীনুর আলম। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো: এনামউজ্জামান অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক শান্তির দূত হিসাবে কাজ করার জন্য শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহŸান জানিয়ে বলেন, সংঘর্ষের কারণগুলো চিহ্নিত করে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় বের করতে হবে। সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীর হাত থেকে মানব সভ্যতাকে রক্ষা করতে হবে। যত বাধাই আসুক, তরুণ প্রজন্মকে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। পবিত্র রমজান মাসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার চিত্র তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন রাখেন, শান্তির ধর্ম ইসলামের নামে  যারা অশান্তি সৃষ্টি করে, তারা কোন ইসলামের অনুসারী ? ধর্মের নামে মানুষ হত্যাকে অনেক বড় অপরাধ বলে তিনি উল্লেখ করেন। উপাচার্য বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শান্তির দর্শনে বিশ্বাস করতেন এবং সব সময় শান্তির স্বপ্ন দেখতেন।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী আঞ্চলিক শান্তি ও সম্প্রীতি  
প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে দু’দেশের মধ্যে ভাল সম্পর্ক থাকায় সম্প্রতি অনেক অমীমাংসিত সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় অচিরেই তিস্তা পানি চুক্তিসহ দু’দেশের যৌথ নদী ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম চালু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ‘ন্যাচারাল’ হিসাবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন দিয়ে ভারতের মানুষ আমাদের রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ করেছে। ১৯৭৫ সালের পর স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ক্ষমতায় এসে দু’দেশের সস্পর্কের অবনতি ঘটায়। অভ্যন্তরীণ রাজনীতির স্বার্থে তারা জনমনে ভারত বিরোধী সেন্টিমেন্ট তৈরী করে এবং বিভিন্ন সমস্যা জিইয়ে রাখে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুন:স্থাপন করেন এবং জনগণের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন। দু’দেশের এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বাংলাদেশের দারিদ্র বিমোচন, বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    আলোচনা শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক শান্তি র‌্যালি বের করা হয়।
                    -------------

(মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম)
উপ-পরিচালক
জনসংযোগ দফতর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ’ ÕFoundation  Day Lecture ’ আজ ৮ জুন ২০১৭ বৃহস্পতিবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী ফাউন্ডেশন ডে লেকচার প্রদান করেন।

Latest News
  • মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের সাধারণ সভার অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফিরে এলে হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের ফুলেল শুভেচ্ছা

    14/10/2017

    Read more...
  • রাষ্ট্রপতির সাথে ঢাবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ

    04/10/2017

    Read more...
  • Austrian Professor meets DU VC

    02/10/2017

    Read more...