Academic Calendar of Department of Pharmaceutical Technology

ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগ (২০০৩)

বিশ্বায়নের আলোকে অভিজ্ঞ ফার্মাসিস্ট গড়ে তোলার নিমিত্তে ফার্মেসী অনুষদ স্নাতক পর্যায়ে পাঁচ বছরের সমন্বিত কোর্স বহাল রেখে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ওষুধ প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষা প্রদানের জন্য আলাদা বিভাগ খোলার অনুমতি পায় ২০০৩ সালের এপ্রিল মাসে। বিভাগ খোলার পর ১৯৯৯-২০০০ থেকে ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র-ছাত্রীরা স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়ে বাংলাদেশের এবং বহির্বিশ্বের নামি দামী ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানীর উৎপাদন, পরিচালন, বিপণন এবং মান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য, সংস্থা, ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ (১৯৮২) এবং বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ফার্মাসিস্টদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত ওষুধ অত্যন্ত উন্নতমানের বিধায় বর্তমানে বাংলাদেশ তার নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে বিশ্বের প্রায় ৮৭টি দেশে তা রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে। ফার্মাসিস্টদের দক্ষতার কারণে বিভিন্ন ওষুধের কাঁচামালও এখন দেশে তৈরি হচ্ছে। এপিআই (Active Pharmaceutical Ingredient) প্রযুক্তি বাস্তবায়নের সিংহভাগ দায়িত্ব এখন ফার্মাসিস্টদের। সুতরাং ওষুধ শিল্পের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বাস্তবায়নের জন্য দক্ষ কারিগর তৈরির নিমিত্তে পর্যাপ্ত সংখ্যক আধুনিক জ্ঞান সম্পন্ন ফার্মাসিস্ট তৈরি করা আবশ্যক।

ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ঘোষিত তৃতীয় জাতীয় ওষুধনীতি প্রণয়ন উপ-কমিটির আহবায়ক ছিলেন। এই ওষুধনীতিতে প্রথমবারের মতো এলোপ্যাথি ওষুধের সাথে আয়ুর্বেদ, ইউনানি, হার্বাল, হোমিওপ্যাথি ও বায়োকেমিক ওষুধকেও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া এই ওষুধনীতির আওতায় এলোপ্যাথি, আয়ুর্বেদ, ইউনানি ও হোমিওপ্যাথি-বায়োকেমিক ওষুধের জন্য আলাদা আলাদা অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (Essential Drug List) এবং দেশে এই প্রথমবারের মতো এলোপ্যাথি, আয়ুর্বেদ ও ইউনানি ওষুধের প্রেসক্রিপশনবিহীন ওষুধের তালিকা (Over-the-Courter Drug List) তৈরি করা হয়েছে। এই ওষুধনীতি সর্বমহলে অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি কর্তৃক বাংলাদেশের সবগুলো এলোপ্যাথিক ওষুধ কোম্পানি পরিদর্শন করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্রাকটিস নীতিমালা অনুসরণ করে সেগুলোতে ওষুধ উৎপাদন করা হয় কিনা তা যাচাইয়ের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ পরিদর্শন দল গঠন করে। ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুককে এই বিশেষজ্ঞ পরিদর্শন দলের প্রধান হিসেবে নিয়োগ করা হয়। এই পরিদর্শন দলের সরেজমিন প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং মাননীয় হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সর্বমোট ৬২ টি এলোপ্যাথি ওষুধ কোম্পানির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফ এর অধীনে Higher Education Quality Enhancement Project (HEQEP) – Window -II, Round- III এর আওতায় বর্তমানে একটি অত্যাধুনিক Reverse Engineering Laboratory স্থাপনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত প্রজেক্টের আওতায় Proton Pump Inhibitor এর Commercial Synthesis Method Develop করা হয়েছে। এছাড়াও এ প্রজেক্টের আওতায় ০৪ জন পিএইচ.ডি, ০১ জন এম.ফিল, ১৪ জন এম. ফার্ম, ০৮ জন আন্ডার গ্র্যাজুয়েট এবং ৩য় ও ৪র্থ বর্ষের ৪০ জন ছাত্র-ছাত্রীদের ট্রেনিং এবং কীভাবে গবেষণা করা হয়, সে সম্পর্কে হাতে কলমে শিক্ষা দান করা হয়েছে।


ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগ

(১লা জানুয়ারি ২০১৮-৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮)

ক্রমিক

 শ্রেণি/কোর্স/পরীক্ষার নাম

শিক্ষাবর্ষ

ক্লাস শুরু

হওয়ার তারিখ

১ম ইন- কোর্স/মিড-টার্ম পরীক্ষার তারিখ

২য় ইন- কোর্স/মিড-টার্ম পরীক্ষার তারিখ

ক্লাস শেষ

 হওয়ার তারিখ

ফিল্ড ওয়ার্ক

পরীক্ষা আরম্ভের তারিখ

পরীক্ষা শেষ

হওয়ার তারিখ

মন্তব্য

০১.

এম.ফার্ম

২০১৬-১৭

২২-১০-২০১৭

০৪-০২-১৮

০২-০৫-১৮

৩১-০৭-১৮

 

০১-০৯-১৮

০৫-১০-১৮